সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৬ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপি নেতা নাছির উদ্দীন ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তোলারাম কলেজ ছাত্রদলের সহসভাপতি সানি আলম সিদ্ধিরগঞ্জ বাসীকে যুবদল নেতা সাজ্জাদের ঈদ শুভেচ্ছা নারায়ণগঞ্জ বাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী শাহাদাত হোসেন ভূইয়া কচুয়াবাসীকে ছাত্রদল নেতা তানজিরুল ইসলাম এর ঈদ শুভেচ্ছা ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুবদল নেতা শওকত আলী নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের সদস্য রিয়াজুল আলমের ঈদ শুভেচ্ছা ছাত্রদল নেতা রাতুল আহমেদ এর ঈদ শুভেচ্ছা রূপগঞ্জে সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ রূপগঞ্জে বরিশাল ও চাঁদপুরগামী যাত্রীদের বিকল্প নৌপথ উদ্বোধন করলেন নৌ-পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী

পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট জয়

প্রথমবারের মতো পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট জয়ের ইতিহাস আগের ম্যাচেই গড়েছিল বাংলাদেশ। হাতছানি ছিল সিরিজ জয়ের। যেখানে এবার পাকিস্তানকে তাদেরই মাঠে ক্রিকেটের অভিজাত এই ফরম্যাটে ২-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করার অনন্য কীর্তি গড়ল টাইগাররা। রাওয়ালপিন্ডিতে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে পাকিস্তানকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

পাকিস্তান: ২৭৪ ও ১৭২

বাংলাদেশ: ২৬২ ও ১৮৫/৪ (লক্ষ্য ১৮৫)

বাংলাদেশ নিজেদের ২৪ বছরের টেস্ট ইতিহাসে এ নিয়ে চতুর্থবার প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল। বাংলাদেশ এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দুবার ও জিম্বাবুয়েকে একবার হোয়াইটওয়াশ করেছে টেস্ট সিরিজে। ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ২–০ ব্যবধানে হারিয়েই দেশের বাইরে প্রথম টেস্ট সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ। ৯ বছর পর ২০১৮ সালে দেশের মাটিতে আবার ক্যারিবীয়দের হোয়াইটওয়াশ করার আগে ২০১৪ সালে জিম্বাবুয়েকে ৩ ম্যাচ সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করে বাংলাদেশ।

অন্যদিকে পাকিস্তান নিজেদের ইতিহাস দ্বিতীয়বার ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে। ২০২২ সালে ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ হারে পাকিস্তান।

দ্বিতীয় টেস্ট জিততে গতকাল সোমবার চতুর্থ দিন ১৮৫ রানের লক্ষ্য পায় বাংলাদেশ। বাংলাদেশের দুই ওপেনার জাকির হাসান ও সাদমান ইসলাম শুরু করেন দুর্দান্ত। বাংলাদেশও স্বপ্ন পূরণের পথে এগোতে থাকে। তবে রাওয়ালপিন্ডিতে চতুর্থ দিনের শেষ ঘণ্টার খেলা আলোকস্বল্পতায় ও বৃষ্টিতে পণ্ড হয়। তাতে স্কোরবোর্ডে বিনা উইকেটে ৪২ রান তুলে দিন শেষ করে সফরকারীরা। আজ মঙ্গলবার পঞ্চম ও শেষ দিনে জয়ের জন্য ১৪৩ রান দরকার ছিল।

ব্যাট হাতে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন জাকির হাসান। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে দ্রুত রান তুলছিলেন এই ওপেনার। তবে আজ ইনিংসটাকে আর লম্বা করতে পারলেন না তিনি। মির হামজার বলে ৩৯ বলে ৪০ রানে থাকা জাকিরের স্টাম্প ভাঙে। সকালের শুরুতেই হোঁচট খায় বাংলাদেশ।

জাকির হাসানের পর আরেক ওপেনার সাদমান ইসলাম আউট হন। ৫১ বলে ২৪ রান করা এই বাঁহাতি খুররম শাহজাদের বলে শান মাসুদকে ক্যাচ দেন।

লাঞ্চের পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি নাজমুল হোসেন শান্ত। সালমান আলি আঘার সাদামাটা এক ডেলিভারিতে শর্ট লেগে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। ৫ চারে ৮২ বলে ৩৮ রান করেন শান্ত। তার বিদায়ে ভাঙে ৫৭ রানের তৃতীয় উইকেট জুটি।

এরপর মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে দারুণ জুটি আভাস দিচ্ছিলেন মুমিনুল হক। তবে হুট করেই অতি আগ্রাসী শট খেলতে গিয়ে উইকেট বিলিয়ে দিয়েছেন মুমিনুল। আবরার আহমেদের বলে ক্রিজ ছেড়ে মারতে গিয়ে মিড অনে ক্যাচ দিয়েছেন অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান। ৪ চারে ৭১ বলে ৩৪ রান করেন মুমিনুল।

এরপর মুশফিক ও সাকিব আল হাসান আর কোনো বিপদ হতে দেননি। পঞ্চম উইকেট জুটিতে তারা ৩২ রান তুলে দলের জয় নিশ্চিত করেন। মুশফিক ৫১ বলে ২২ ও সাকিব ৪৩ বলে ২১ রানে অপরাজিত থাকেন।

পাকিস্তানের বোলারদের মধ্যে একটি করে উইকেট পান মির হামজা, খুররম শাহজাদ, আববার আহমেদ ও সালমান আঘা।

বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে ১৩৮ রানের সুবাদে ম্যাচসেরা হন লিটন দাস। আর পুরো সিরিজে ১৫৫ রান ও ১০ উইকেট নেওয়ার মেহেদী হাসান মিরাজ সিরিজ সেরার পুরস্কার পান।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত